27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদ পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে। এই অনুমোদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেওয়া হয়। পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান।

পুলিশ কমিশন গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে পুলিশকে জনবান্ধব, জনমুখী করা। এই কমিশন সরকারের সঙ্গে মিলে কাজ করবে। পুলিশ যাতে মানবাধিকার সংবেদনশীল হয়, সে বিষয়ে পুলিশের আধুনিকায়ন কোথায় কোথায় দরকার, কী ধরনের প্রশিক্ষণ দরকার—এগুলো তারা চিহ্নিত করবে।

পুলিশ কমিশনের প্রধান থাকবেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করেছেন—এমন গ্রেড ওয়ানের নিচে নন, এমন কোনো সরকারি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক গ্রেড ওয়ানের নিচে নন, এমন কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, তিনি কর্মরত হতে পারেন, অবসরপ্রাপ্ত হতে পারেন, মানবাধিকার এবং সুশাসন বিষয়ে কাজ করেছেন অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এমন ব্যক্তি এই কমিশনের সদস্য হবেন।

এই পুলিশ কমিশন গঠনের ফলে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম আরও জনবান্ধব এবং জনমুখী হবে। এটি পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম পরিবর্তন করা হবে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে, অন্যরা এর সমালোচনা করছে। এই বিতর্কের মধ্যে পুলিশ কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ফলে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক হবে। এটি পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম পরিবর্তন করা হবে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে, অন্যরা এর সমালোচনা করছে। এই বিতর্কের মধ্যে পুলিশ কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ফলে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম আরও জনবান্ধব এবং জনমুখী হবে। এটি পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম পরিবর্তন করা হবে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে, অন্যরা এর সমালোচনা করছে। এই বিতর্কের মধ্যে পুলিশ কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ফলে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক হবে। এটি পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম পরিবর্তন করা হবে।

পুলিশ কমিশন গঠনের ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠন

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments