19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাযুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করেছে

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করেছে

যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ভিসা নিয়মকানুনে পরিবর্তন এবং ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহারের উদ্বেগ।

কমপক্ষে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ওলভারহ্যাম্পটন, সান্ডারল্যান্ড এবং কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়। লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসা প্রত্যাখ্যানের অধিকাংশ আবেদনই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য সরকারের নতুন ভিসা নিয়মকানুন, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে বাধ্য করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার যথাক্রমে ২২ এবং ১৮ শতাংশ, যা নতুন নিয়মকানুনের চেয়ে অনেক বেশি।

এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে পারবে না। এটি তাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা, কারণ তারা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করে।

যুক্তরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ খুঁজে বের করতে হবে। এটি তাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ, কিন্তু তারা তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যান্য বিকল্প খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে।

যুক্তরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের জন্য কী হবে? তারা কীভাবে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যান্য বিকল্প খুঁজে বের করবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের।

যুক্তরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, তারা অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ খুঁজে বের করতে পারে। দ্বিতীয়ত, তারা তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যান্য বিকল্প খুঁজে বের করতে পারে, যেমন অনলাইন কোর্স বা স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া।

যুক্তরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কিন্তু তারা তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যান্য বিকল্প খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে। আমরা আশা করি যে তারা তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য সফল হবে।

শেষ পর্যন্ত, যুক্তরাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তারা কীভাবে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যান্য বিকল্প খুঁজে বের করবে? তারা কীভাবে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য সফল হবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের।

আমরা আশা করি যে এই প্রবন্ধটি ব

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments