বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য একটি বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন গাড়ি দেশে পৌঁছেছে। এই গাড়িটি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো এলসি ২৫০ মডেলের এবং এটি বিএনপির নামে নিবন্ধিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দলটিকে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গাড়িটি সাদা রঙের সাত আসনের এবং এটি চলতি বছর জাপানে উৎপাদিত হলেও এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা হয়েছে। গাড়িটির কেনা দাম দেখানো হয়েছে ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রতি ডলারকে ১২২ টাকা ৪১ পয়সা হিসেবে শুল্কায়ন করেছে।
গাড়িটি খালাস করার জন্য সরকারকে শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর বাবদ দিতে হয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ১৬ হাজার ৯৪২ টাকা। সব মিলিয়ে গাড়িটির মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৪৬ হাজার ১১২ টাকা।
বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, গাড়িটি কোনো ব্যক্তির নামে নয়, বরং ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র নামে নিবন্ধন করা হয়েছে। মালিকের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ‘২৮/১ নয়াপল্টন’। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলো ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৬-৬৫২৮’।
রেজিস্ট্রেশনের দিনই (২ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক সাবিকুন নাহার গাড়িটির ফিটনেস সনদ অনুমোদন করেন। ফিটনেসের মেয়াদ ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ এক বছরে,
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য আমদানি করা এই গাড়িটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বিএনপির নেতারা এই গাড়িটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক প্রচারণা চালাতে পারেন। এছাড়াও, এই গাড়িটি বিএনপির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
তবে, এই গাড়িটির আমদানি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে। গাড়িটির মূল্য এবং এর আমদানি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এছাড়াও, গাড়িটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
অবশেষে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য আমদানি করা এই গাড়িটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই গাড়িটি বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।



