যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন ভিসা কমপ্লায়েন্স নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব চেস্টার আগামী বছরের শরৎকাল পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে সব ধরনের শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত করেছে। ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করছে না।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন ভিসা কমপ্লায়েন্স নীতি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভিসা স্পনসর করতে হলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিবছর ‘বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্ট’ (বিসিএ) নামের একটি মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হতে হয়।
এই মূল্যায়নে তিনটি সূচক দেখা হয়। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার, যুক্তরাজ্যে এসে কোর্সে উপস্থিত না হওয়া এবং মাঝপথে কোর্স ত্যাগের হার। হোম অফিসের নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ভিসা আবেদনের ৫ শতাংশের বেশি বাতিল হলে তাদের স্পনসর লাইসেন্সের মান অবনমন, ভর্তি স্থগিত কিংবা লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য আবেদন করার আগে এই নতুন নীতি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। তাদের উচিত ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা এবং যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নীতি ও শর্তাবলী সম্পর্কে জানা।
শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই, তাদের উচিত সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া।
যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারা এখন অন্যান্য বিকল্পের সন্ধান করতে বাধ্য হবে।
শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে? তারা কীভাবে তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেতে হবে শিক্ষার্থীদের।
যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু তারা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে? তারা কীভাবে তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেতে হবে শিক্ষার্থীদের।
যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু তারা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোক



