বিশ্বজুড়ে ঋণের বোঝা বাড়ছে। এই বছর মোট জিডিপির ৯৪.৭ শতাংশে পৌঁছেছে এই বোঝা। কিন্তু কিছু দেশ এই বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পেরেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিবেদন অনুসারে, এমন দেশগুলোর অবস্থান এশিয়াতেও রয়েছে।
মাকাও হলো সেই দেশ যার ঋণের খাতা একেবারে ‘শূন্য’। এই অঞ্চলের আয় মূলত আসে ক্যাসিনো ও গেমিং খাত থেকে। এই খাত থেকে আসা শতকোটি ডলার আয় এবং শক্তিশালী আর্থিক রিজার্ভের কারণে মাকাওয়ের কোনো ঋণের প্রয়োজন হয় না।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে লিখটেনস্টাইন। এমনকি সেখানে বসবাসরত মানুষের চেয়ে নিবন্ধিত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেশি। উল্লেখ্য, দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৪১ হাজার।
জিডিপির মাত্র ৭.৩ শতাংশ ঋণ নিয়ে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত। তেলসমৃদ্ধ দেশটির সরকারি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে জ্বালানি তেল থেকে। ২০২৪ সালে তারা তেল বিক্রি করে প্রায় ৭ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে।
কুয়েতের মতো রাশিয়াও তেল রপ্তানির ওপর ভর করে ঋণের বোঝা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশটির অর্থনীতি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ২০২৫ সালে রাশিয়ার ঋণের পরিমাণ জিডিপির ২৩.১ শতাংশ। কঠোর আর্থিক নীতি ও পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কারণে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও রাশিয়ার অর্থনীতি বেশ ভালোভাবেই সচল রয়েছে।
এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। তারা ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পেরেছে এবং তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী রয়েছে। এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক নীতি ও কৌশলগুলো অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি শিক্ষামূলক উদাহরণ হতে পারে।
বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। এই পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে তাদের অর্থনীতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারলে দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে। এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি উপদেশ হতে পারে।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। দেশগুলোকে তাদের অর্থনীতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারলে দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে। এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি উপদেশ হতে পারে।
বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। দেশগুলোকে তাদের অর্থনীতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারলে দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে। এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি উপদেশ হতে পারে।
বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। দেশগুলোকে তাদের অর্থনীতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারলে দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে। এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক পরিস



