বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মানসুর বলেছেন, বর্তমান অর্থবছরের শেষের দিকে মুদ্রাস্ফীতি ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত একটি বিনিয়োগ সংলাপে তিনি এই তথ্য জানান।
গত বছর মুদ্রাস্ফীতি ১২ শতাংশের বেশি হয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক প্রবণতা উন্নতি নির্দেশ করছে। খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ৭.৩ শতাংশে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি ৮.২ শতাংশে নেমে এসেছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে, ৫ শতাংশে মুদ্রাস্ফীতি নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হলে সুদের হার কমানো সম্ভব হবে। গভর্নর বলেছেন, সুদের হার কমানোর জন্য মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ প্রথম ধাপ। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখলে বিনিময় হার স্থিতিশীল হবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব হবে।
গভর্নর আরও বলেছেন, হঠাৎ করে সুদের হার কমানো ক্ষতিকর হবে এবং মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে পারে। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করছে। মুদ্রাস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে স্থিতিশীল হলে সুদের হার সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, অর্থনীতিবিদদের আশা করা যায় যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এতে অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং মুদ্রা নীতির সমন্বয় থাকা দরকার।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকটি মুদ্রা নীতি পরিচালনা করে এবং সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও, ব্যাংকটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ঋণ সহজলভ্য করে তোলে।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকারকেও ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারকে অর্থনৈতিক নীতি পরিচালনা করতে হবে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এছাড়াও, সরকারকে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সমন্বয় করতে হবে।
সব মিলিয়ে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এতে অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং মুদ্রা নীতির সমন্বয় থাকা দরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মুদ্রাস্ফীতি ২০২৬ সালের মধ্যে ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এতে অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং মুদ্রা নীতির সমন্বয় থাকা দরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকটি মুদ্রা নীতি পরিচালনা করে এবং সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও, ব্যাংকটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ঋণ সহজলভ্য করে তোলে।



