19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিক্ষকদের কর্মবিরতির মধ্যে অভিভাবকরা পরীক্ষা নিচ্ছেন

শিক্ষকদের কর্মবিরতির মধ্যে অভিভাবকরা পরীক্ষা নিচ্ছেন

ঢাকার ধামরাইয়ের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মবিরতির মধ্যে অভিভাবকরা পরীক্ষা নিচ্ছেন। এই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির কক্ষে শিক্ষার্থীরা হইচই করছিল, তাদের শান্ত করতে অভিভাবক মরিয়ম খাতুন শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে এই বিদ্যালয়ে পড়ে। মরিয়ম খাতুন বলেন, শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন না, তাঁরা ক্লাসে যাচ্ছেন না, বাচ্চারা ক্লাসে হই-হুল্লোড় করছে, শিক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে তাঁদেরই ক্লাসে যেতে হচ্ছে।

একইভাবে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছিলেন মিতু আক্তার নামে আরেক অভিভাবক। তাঁর ছেলে পড়ে এই শ্রেণিতে। তিনি বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার কেউ নেই, তাই প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে নিজেই পরীক্ষা নিয়ে দিচ্ছি। তৃতীয় শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণ ও পরিদর্শকের কাজ একাই করছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমজাদ হোসেন।

অভিভাবকরা ও প্রধান শিক্ষক যখন শ্রেণিকক্ষের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তখন অফিসকক্ষে বসে অলস সময় পার করছিলেন চার সহকারী শিক্ষক। তিন দাবিতে চলা তাঁদের কর্মবিরতিতে এমন চিত্র দেখা গেছে ঢাকার ধামরাইয়ে অবস্থিত ওই বিদ্যালয়ে। একইভাবে ধামরাইয়ের কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখা গেছে, সহকারী শিক্ষকরা পূর্বঘোষিত কর্মবিরতি কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব ধরনের পাঠদান ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন।

ডেমরান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে, তাই শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে একাই সব চালিয়ে যাচ্ছি। কর্মবিরতিতে থাকা শিক্ষকরা জানান, বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ নভেম্বরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সেই অনুযায়ী আপাতত ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি করছেন শিক্ষকরা।

সহকারী শিক্ষিকা শামীমা আক্তার বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ধরে বঞ্চিত। অবিলম্বে আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার দাবি জানাই। সুমাইয়া আক্তার নামে আরেক সহকারী শিক্ষিকা বলেন, আমরা সারা বছর বাচ্চাদের পড়াচ্ছি, কিন্তু আমাদের দাবিগুলো মেটানো হয় না। এসব দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান শিক্ষকরা।

শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ হলো, তারা যাতে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে, সেজন্য তাদের অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। এছাড়াও, শিক্ষকদের দাবিগুলো মেটানোর জন্য সরকারের উচিত পদক্ষেপ নেওয়া। শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments