বাংলাদেশে সরকারের অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর ঘটনায় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের সাথে আলোচনা না করেই তেলের দাম বাড়িয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। বোতলের সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ছয় টাকা এবং খোলা তেল আট টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা আসে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের অনুমোদন ছাড়াই তেলের দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
বাংলাদেশের পাট শিল্প ধ্বংস হওয়ার পেছনে নীতিগত ত্রুটিও ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেছেন, জাতীয়করণের পরে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তা চালানো হয় সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে। এই সিদ্ধান্ত ‘ভুল’ ছিল মন্তব্য করে উপদেষ্টা বলেছেন, অদক্ষ, অযোগ্য এবং দুর্নীতি পরায়ণতা দিয়ে পরিচালিত হয়েছিল রাষ্ট্রায়ত্ত কলগুলো।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, সরকার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের অনুমোদন ছাড়াই তেলের দাম বাড়িয়েছে। এটি অনৈতিক এবং অবৈধ বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ভোক্তারা এই দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারকে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সরকারকে ব্যবসায়ীদের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা অনৈতিক কাজ করলে সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারকে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সরকারকে ব্যবসায়ীদের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা অনৈতিক কাজ করলে সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
ভোক্তারা সরকারের কাছে আশা করছে যে তারা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এটি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সরকারকে ব্যবসায়ীদের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা অনৈতিক কাজ করলে সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সরকারকে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সরকারকে ব্যবসায়ীদের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা অনৈতিক কাজ করলে সরকারকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা



