নির্বাচন কমিশন আজ রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করতে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে আগামী ১৩তম জাতীয় নির্বাচন এবং পরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাচন কমিশন আজ দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে একটি কর্মশালায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎকারের জন্য ১০ বা ১১ ডিসেম্বর তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রবাসী ভোটারদের ডাকযোগে ভোট গণনার পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইনে (আরপিও) সাম্প্রতিক সময়ে সংশোধনী করা হয়েছে। এই সংশোধনীতে বলা হয়েছে, কোন ভোট বাতিল করা হবে, কোন ভোট গণনা করা হবে এবং এই গণনার পদ্ধতি কী হবে তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন দুটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধনের জন্য অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে। এই দলগুলো হলো বাংলাদেশ জাতাতার দল এবং আম জাতাতার দল। এই দলগুলোর নিবন্ধনের বিষয়ে আগামীকাল একটি জনসংযোগ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে। এই বিবৃতিতে সম্ভাব্য আপত্তি বা মন্তব্য জানানোর জন্য সুযোগ দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা ও মতামত বিনিময় বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই পদক্ষেপের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও, এই পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও ন্যায্য ও নিরপেক্ষ করতে পারে।
এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা আরও বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে।
অবশেষে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও ন্যায্য ও নিরপেক্ষ করতে পারে।



