অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন ব্যান্ড আবির্ভূত হয়েছে, যার নাম আমাইল অ্যান্ড দ্য স্নিফার্স। এই ব্যান্ডটি ইতিমধ্যেই অনেকের নজরে পড়েছে, বিশেষ করে ফরাসি ইলেকট্রনিক ব্যান্ড জাস্টিসের।
জাস্টিস ব্যান্ডটি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের নতুন অ্যালবাম হাইপারড্রামার প্রচারের জন্য এক সফরে রয়েছে। এই সফরে তাদের সাথে যোগ দিয়েছে টেম ইম্পালার প্রধান কর্মী কেভিন পার্কার, যিনি ডিজে টেম ইম্পালা হিসেবে পরিচিত।
জাস্টিস এবং কেভিন পার্কারের সহযোগিতা থেকে এক নতুন গান তৈরি হয়েছে, যার নাম নেভারেন্ডার। এই গানটি ২০২৫ সালের গ্র্যামি পুরস্কারে সেরা ডান্স/ইলেকট্রনিক রেকর্ডিং বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে।
জাস্টিস ব্যান্ডের সদস্য গাসপার্ড অগে বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া সঙ্গীত জগতে এক বিশেষ অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীতজগতে এক নিজস্ব স্বতন্ত্রতা রয়েছে, যা বিশ্বের অন্য কোথাও দেখা যায় না।
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে বর্তমানে এক নতুন ঢেউ চলছে, যার নাম ইলেকট্রনিক ডান্স মিউজিক। এই ঢেউয়ের সাথে জড়িত কয়েকজন শিল্পী হলেন ডম ডলা, নিনাজিরাচি, লুড এবং ফিশার।
জাস্টিস ব্যান্ডের সদস্য জাভিয়ের ডি রোসনে বলেছেন, তারা আমাইল অ্যান্ড দ্য স্নিফার্স ব্যান্ডের সঙ্গীত ভালোবাসেন। তিনি বলেছেন, এই ব্যান্ডটি অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
আমাইল অ্যান্ড দ্য স্নিফার্স ব্যান্ডটি ইতিমধ্যেই অনেক সফলতা পেয়েছে। তারা গ্লাসটনবারি ফেস্টিভালে পরিবেশন করেছে, ব্রিট অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত হয়েছে এবং এআরআইএ অ্যাওয়ার্ডে চারটি পুরস্কার পেয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে আমাইল অ্যান্ড দ্য স্নিফার্স ব্যান্ডটি এক নতুন আশা নিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গীত অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে আমাইল অ্যান্ড দ্য স্নিফার্স ব্যান্ডটি এক নতুন নাম। তারা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাদের সঙ্গীত অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গীত জগতে এক নতুন আশা নিয়ে এসেছে।



