সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে এক ব্যক্তি মারধরের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার কথিত প্রেমিকার দুই ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।
মৃত ব্যক্তির নাম আয়নাল হক, যিনি তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কানপুর পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে তার প্রেমিকার বাড়িতে প্রবেশ করেন, যা প্রেমিকার পরিবারের লোকজনকে রাগান্বিত করে। পরে আয়নাল হককে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এরপর আয়নাল হক তার পরিবারের লোকজন নিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে হামলা চালান, যার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও মারধরের ঘটনা ঘটে। এই মারধরে আয়নাল হক গুরুতর আহত হন এবং পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
পুলিশ জানিয়েছে যে আয়নাল হকের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ায় হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানার ওসি জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন আমির হোসেন এবং নুরুল হক, যারা একই ইউনিয়নের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে আয়নাল হক এবং তার প্রেমিকার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। এই সম্পর্কের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করেন।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা দুই ভাইকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এই ঘটনা সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সম্প্রতি সংঘটিত একটি সংবেদনশীল ঘটনা। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়রা বলছেন যে এই ঘটনা একটি পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে ঘটেছে। তারা আরও বলছেন যে এই ঘটনা সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সম্প্রতি সংঘটিত একটি সংবেদনশীল ঘটনা।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা দুই ভাইকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এই ঘটনার তদন্ত শেষ হলে।



