ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রেড ক্রসের মাধ্যমে প্রাপ্ত একটি মৃতদেহ পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে এটি ৪৩ বছর বয়সী থাই কৃষিজীবী সুথিসাক রিনতালাকের। তিনি ছিলেন গাজায় থাকা শেষ দুজন নিহত জিম্মির একজন। অন্যজন হলেন ২৪ বছর বয়সী ইসরায়েলি পুলিশ অফিসার রান গভিলি, যার মৃতদেহ এখনও গাজায় রয়েছে।
ইসরায়েল সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে তারা রিনতালাকের পরিবারকে এই তথ্য জানিয়েছে এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। তারা আরও জানিয়েছে যে তারা গভিলির মৃতদেহ ফেরত পাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং হামাসকে তাকে তার পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাবে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা রিনতালাকের মৃতদেহ থাইল্যান্ডে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। ইসরায়েলি এবং থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে উভয় জিম্মি ৭ই অক্টোবর ২০২৩ তারিখে দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলায় নিহত হয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহ গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিধ্বংসী চুক্তির প্রথম পর্বে, হামাস গাজায় থাকা ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মি এবং ২৮ জন নিহত ইসরায়েলি ও বিদেশি জিম্মিদের মৃতদেহ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়ার চুক্তি করেছিল। সমস্ত জীবিত জিম্মি ১৩ই অক্টোবর মুক্ত হয়েছিল। বিনিময়ে ইসরায়েল ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী এবং ১৭১৮ জন গাজার বাসিন্দাকে মুক্ত করেছিল।
এ পর্যন্ত, ২৩ জন নিহত ইসরায়েলি জিম্মির মৃতদেহ এবং চারজন বিদেশি জিম্মির মৃতদেহ – দুজন থাই, একজন নেপালি এবং একজন তানজানিয়ার – ফেরত দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে, ইসরায়েল ৩৪৫ জন ফিলিস্তিনিকে যুদ্ধে নিহত হওয়ার মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে। ইসরায়েল অভিযোগ করেছে যে হামাস জিম্মিদের মৃতদেহ ফেরত দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করছে।
ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে, এই ঘটনাটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, জিম্মিদের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য, উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায়, জিম্মিদের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সচেতন হতে হবে এবং এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায়, জিম্মিদের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। আশা করা যায় যে এই পদক্ষেপটি এই সংঘর্ষে



