ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংকে বলেছেন, ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল করার জন্য তাদের পার্থক্য দূর করতে হবে। বেইজিংয়ে দুই নেতার বৈঠকে ম্যাক্রোঁ এই মন্তব্য করেন।
ম্যাক্রোঁ বলেন, কখনো কখনো পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তা দূর করার দায়িত্ব আমাদের। চীনা নেতা শি জিনপিংও ম্যাক্রোঁর সাথে একমত হন এবং ফ্রান্সের সাথে সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল করার আহ্বান জানান।
ম্যাক্রোঁর চীন সফরের একটি প্রধান বিষয় হলো ইউক্রেনের সংক্ট। ম্যাক্রোঁ চান চীন ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি আনতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে।
ম্যাক্রোঁ চীনকে আরও বিনিয়োগ করতে এবং জি৭ দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত।
এই বৈঠকের মাধ্যমে ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল হলে বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই বৈঠকের মাধ্যমে ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল হলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও সম্পর্ক উন্নতি লাভ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই বৈঠকের মাধ্যমে ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নতি লাভ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফ্রান্স ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল হলে বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সম্পর্ক বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



