লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রায় ৪০ বছর পর প্রথম সরাসরি আলোচনার সূচনা হয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের আন-নাকুরা শহরে যুদ্ধবিরতি মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দুই দেশের বেসামরিক প্রতিনিধি অংশ নেন।
ব্লু লাইন নামক লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক চলেছে। বৈঠকের পর প্রকাশিত বিবৃতিতে নাগরিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এটি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যসহ দীর্ঘস্থায়ী বেসামরিক ও সামরিক সংলাপের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বলেন, বৈঠক নিরাপত্তা ইস্যুর বাইরে গিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটি কোনো শান্তিচুক্তির বৈঠক নয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ কেবল শান্তি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষকে আলোচনার বিস্তৃতি বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছে। গত মাসে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর যুদ্ধের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসরায়েল নিয়মিত লেবাননে বিমান হামলা চালাচ্ছে, সাধারণত হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহারের কথা থাকলেও দক্ষিণ লেবাননের পাঁচটি এলাকায় এখনও সেনা রয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ করছে কি না তা যাচাই এবং লেবানন সেনাবাহিনীর অবকাঠামো পর্যবেক্ষণের বিষয়ও কমিটির কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। প্রয়োজনে ফরাসি বা মার্কিন সেনাও এতে থাকতে পারে।
এই আলোচনা থেকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ায় আরও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন।
এই আলোচনা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও সম্পর্ক উন্নতি হতে পারে।
এই আলোচনা থেকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ায় আরও অনেক সময় লাগবে। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।



