20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিলক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

লক্ষ্মীপুর জেলা আজ তার হানাদার মুক্ত দিবস পালন করছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে, মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসী আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী জেলাটি ছেড়ে যায়।

মুক্তিকামী মানুষ এই দিনটিকে লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে উদযাপন করে। তবে, ৫৪ বছর পরেও জেলার গুরুত্বপূর্ণ বধ্যভূমি ও গণকবরগুলো অবহেলায় পড়ে আছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময়, পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন স্থানে লুটপাট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা ১৯টি সম্মুখযুদ্ধ ও ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করে।

এই যুদ্ধে ৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অসংখ্য মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন। দালাল বাজার-রামগঞ্জ সড়কে ১৭টি বড় যুদ্ধের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা ৬০ থেকে ৭০ জন পাকসেনাকে হত্যা করতে সক্ষম হয়।

ডিসেম্বরের ২ ও ৩ তারিখে পাকসেনারা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পিছু হটলে মুক্তিযোদ্ধারা মাদাম ব্রিজ উড়িয়ে দেয়, এতে দেড় শতাধিক রাজাকার আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। এরপরই ৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয়।

এ জেলার বাগবাড়ীর টর্চার সেল, গণকবর, মাদাম ব্রিজ ও বাসুবাজারের গণকবর আজও যুদ্ধের বিভীষিকাময় স্মৃতি বহন করে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম, জহিরুল ইসলাম ও খোরশেদ আলম এসব স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সাহসী লড়াইয়ের মাধ্যমে জেলাটিকে হানাদারদের হাত থেকে মুক্ত করেছিলেন। এই দিনটি তাদের সাহস ও বীরত্বের এক অনন্য উদাহরণ।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক উপলক্ষ্য।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের সাহস ও বীরত্বের গল্প আমাদের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জাগিয়ে তুলবে।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। আমরা তাদের সাহস ও বীরত্বের জন্য ক্রমাগত শ্রদ্ধা জানাব এবং তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করব।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে এক অনন্য অবদান। আমরা তাদের সাহস ও বীরত্বের জন্য ক্রমাগত শ্রদ্ধা জানাব এবং তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করব।

লক্ষ্মীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব আমাদের জাতীয় পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা তাদের সাহস ও বীরত্বের জন্য ক্রমাগত শ্রদ্ধা জানাব এবং তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করব।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments