দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে মাদক পাচার করা হচ্ছে। এই মাদক পাচারে নারী ও শিশুদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মাদক পাচারকারীরা বিভিন্ন কৌশলে মাদক পাচার করছে।
সীমান্তপথে মাদক পাচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার মায়ানমার সীমান্তবর্তী বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ি, টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলা দিয়ে পাহাড়, নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর ব্যবহার করে বাংলাদেশে মাদক পাচার করা হচ্ছে।
মাদক পাচারকারীরা ট্রেনে উঠছেন যাত্রীবেশে। রেলওয়ে গোয়েন্দা পুলিশ ট্রেনে মাদক পাচারকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। এই অভিযানে মাদক পাচারকারীদের ধরা পড়ছে।
মাদক পাচার করা হচ্ছে বিভিন্ন পথে। কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার জল ও স্থল সীমান্ত, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার কম হলেও ৩০টি পয়েন্ট দিয়ে দেশে ইয়াবা আনছেন পাচারকারীরা। নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, ফুলতী, লম্বাশিয়া, রেজু আমতলী, চেরারকুল, সোনাইছড়ি, উত্তরপাড়া, বাইশফাঁড়ির বিভিন্ন পথে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক আসছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক পাচার রোধে কাজ করছে। মাদক পাচারকারীদের ধরতে তারা অভিযান চালাচ্ছে।
মাদক পাচার রোধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাদক পাচারকারীদের ধরতে সরকার নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিচ্ছে। মাদক পাচার রোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টি করছে।
মাদক পাচার রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক পাচারকারীদের ধরতে সকলকে সহায়তা করতে হবে। মাদক পাচার রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।
মাদক পাচার রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কাজ করছে। মাদক পাচারকারীদের ধরতে তারা অভিযান চালাচ্ছে। মাদক পাচার রোধে তারা জনসচেতনতা সৃষ্টি করছে।
মাদক পাচার রোধে সকলকে একত্রিত হতে হবে। মাদক পাচারকারীদের ধরতে সকলকে সহায়তা করতে হবে। মাদক পাচার রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।



