কানাডিয়ান চলচ্চিত্র পরিচালক কার্টিস ডেভিড হার্ডার তার নতুন চলচ্চিত্র ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ দিয়ে দর্শকদের রোমাঞ্চিত করার জন্য প্রস্তুত। এই চলচ্চিত্রটি তার ২০২৩ সালের মূল ভয়ঙ্কর থ্রিলার ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ এর সিক্যুয়েল। এই চলচ্চিত্রে, হার্ডার একজন তরুণীর হত্যা এবং পরিচয় চুরির প্রতি আসক্তির গল্প বলেছেন।
এই চলচ্চিত্রটি একটি ভয়ঙ্কর গল্প, যা সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিকগুলি তুলে ধরে। হার্ডার বলেছেন, ‘ভয়ঙ্কর গল্প হল একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আমরা সমাজের অন্ধকার দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করতে পারি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা এই দুটি চলচ্চিত্রে সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির সামগ্রিক পরিণতি নিয়ে আলোচনা করছি।’
এই চলচ্চিত্রে, হার্ডার তার চরিত্রগুলিকে সামাজিক মিডিয়া এবং ম্যানোস্ফিয়ারের জগতে রেখেছেন, ভূতের বাড়ি বা ভ্যাম্পায়ার বা জম্বির সাথে লড়াই করার পরিবর্তে। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি একটি মানসিক প্রবেশদ্বার তৈরি করতে চাই, যেখানে দর্শকরা সামাজিক মিডিয়া অ্যালগরিদম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপদগুলি নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে।’
এই চলচ্চিত্রে, হার্ডার তার চরিত্রগুলিকে একটি সম্পর্কে রেখেছেন, যেখানে তারা তাদের সম্পর্কের মধ্যে সমস্যাগুলি মোকাবেলা করে। এই চলচ্চিত্রটি একটি ভয়ঙ্কর গল্প, যা দর্শকদের সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে।
এই চলচ্চিত্রটি একটি সিক্যুয়েল, যা হার্ডারের আগের চলচ্চিত্র ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ এর গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এই চলচ্চিত্রে, হার্ডার তার চরিত্রগুলিকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরেছেন, এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে সমস্যাগুলি মোকাবেলা করেছেন। এই চলচ্চিত্রটি একটি ভয়ঙ্কর গল্প, যা দর্শকদের সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে।
এই চলচ্চিত্রটি একটি ভয়ঙ্কর গল্প, যা দর্শকদের সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে। এই চলচ্চিত্রে, হার্ডার তার চরিত্রগুলিকে একটি সম্পর্কে রেখেছেন, যেখানে তারা তাদের সম্পর্কের মধ্যে সমস্যাগুলি মোকাবেলা করে। এই চলচ্চিত্রটি একটি ভয়ঙ্কর গল্প, যা দর্শকদের সামাজিক মিডিয়া এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে।



