দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হির বিরুদ্ধে স্টক জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেছেন কৌসুলিরা। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের স্ত্রী কিম কিওন হি গত বছর সামরিক আইন প্রয়োগ এবং তার স্বামীর অন্যান্য কেলেঙ্কারি তদন্তের প্রেক্ষাপটে এই মামলা হয়েছে।
কিম কিওন হি গত আগস্টে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে স্টক ম্যানিপুলেশন পরিকল্পনা, রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহ আইন ভঙ্গ করা এবং ধর্মীয় একটি সংগঠন থেকে উপহার গ্রহণের অভিযোগ আছে। তাছাড়া, পার্লামেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল জারির প্রথম বর্ষপূর্তির দিন বুধবারই কিওন হির বিচারকাজ চলার সময় কৌসুলিরা তার বিরুদ্ধে আদালতে শেষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। তারা আদালতের কাছে কিমকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং কয়েকশ কোটি ওন জরিমানার দাবি জানান।
সিউল সেন্ট্রাল জেলা আদালত ২৮ জানুয়ারি এই মামলার রায় ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে। কিম কিওন হি বুধবার কালো কোট ও স্কার্ট পরে বিষণ্ণ মুখে আদালতে হাজির হন এবং মানুষের উদ্বেগের কারণ হওয়ার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন কিওন হি।
এই মামলার রায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের পতনের পর থেকে দেশটির রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তিত হয়েছে। এই মামলার রায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি অংশ। এই মামলার রায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে এবং দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।



