28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধখুলনায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান

খুলনায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান

খুলনা শহরের আদালত পাড়ায় গত রোববার দুপুরে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। মৃত যুবকদের নাম হাসিব হাওলাদার ও ফজলে রাব্বি রাজন। তাঁরা আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, হাসিব হাওলাদার ও ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে ছয়টি করে মামলা আছে। তাঁরা ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশের সহযোগী ছিলেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’র সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পরও মামলা করেনি মৃতদের পরিবার। পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাজি না হওয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন থানার উপপরিদর্শক আবদুল হাই।

হাসিব হাওলাদারের ভাই সুমন হাওলাদার বলেন, ‘কারা হত্যা করেছে, আমরা জানি না। তার ওপর আমরা আতঙ্কে আছি। মারা যাওয়া বড় ভাই ও আমার সন্তানসহ সবার নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

পরিবারের নিরাপত্তায় প্রশ্নে উদ্বেগ জানিয়ে সুমন বলেন, ‘পরিবারে এখন একমাত্র ছেলে আমি। আমাদের ওপর যদি আক্রমণ আসে, তাই আমরা কোনো মামলায় যেতে চাই না। বিচার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’

এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে রিপন শেখ নামের এক যুবককে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে নগরের নতুনবাজার চরের স্কুল গলি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

তাঁর আটক বিষয় পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল হাই বলেন, ‘রিপনকে সদর থানায় নিয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মামলায় তাঁর সম্পৃক্ততা পেলে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’

রিপন নতুনবাজার মাছ গলির বাসিন্দা আবদুল জলিলের ছেলে। তাঁকে ফাঁসিয়ে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। এ বিষয়ে আজ বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁরা।

তবে পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আটক রিপন বিলুপ্ত হওয়া ‘ইহুদি বাহিনী’র শীর্ষ সদস্যদের একজন ছিলেন। ওই বাহিনীর প্রধান বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার পর ২০১৮ সালে এই বাহিনী বিলুপ্ত হয়ে যায়।

এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় খুলনা শহরে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ শহরে নজরদারি বাড়িয়েছে।

পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সুমন হাওলাদার বলেন, ‘আমরা চাই পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আমরা চাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হোক।’

এই ঘটনার পর খুলনা শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ শহরে নজরদারি বাড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments