বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। আগামী শুক্রবার গণকর্মচারী সংগঠনগুলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ করবে।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে গণকর্মচারীরা স্থায়ী কর্মবিরতির মতো কর্মসূচির ঘোষণা দিতে পারেন।
শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতি ৫ বছর অন্তর গণকর্মচারীদের পে-স্কেল দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ১০ বছর কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পুনর্মূল্যায়ন হয়নি, বিষয়টি অমানবিক। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বর্তমান বেতন কাঠামো দিয়ে নিম্ন গ্রেডের একজন কর্মচারীর পক্ষে পরিবার চালানো কোনো ক্রমেই সম্ভব নয়।
সরকারের উচিত যতদ্রুত সম্ভব কর্মচারীদের পরিবারের ব্যয় বিবেচনা নিয়ে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা। এই দাবিতে গণকর্মচারী সংগঠনগুলো একযোগে আন্দোলনে নামবে।
আগামী শুক্রবারের মহাসমাবেশে গণকর্মচারী সংগঠনগুলো অংশগ্রহণ করবে। এই মহাসমাবেশে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হবে। সরকারের উচিত গণকর্মচারীদের দাবি বিবেচনা করে তাদের সমস্যা সমাধান করা।
গণকর্মচারী সংগঠনগুলো সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে যে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পে-স্কেলের গেজেট জারি করা হলে তারা আন্দোলন স্থগিত করবে। কিন্তু যদি সরকার তাদের দাবি পূরণ না করে তাহলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে নামবে।
এই আন্দোলনের ফলে সরকার ও গণকর্মচারী সংগঠনগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। সরকারের উচিত গণকর্মচারীদের দাবি বিবেচনা করে তাদের সমস্যা সমাধান করা। এই আন্দোলনের ফলে গণকর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে।
সরকারের উচিত গণকর্মচারী সংগঠনগুলোর সাথে আলোচনা করে তাদের দাবি পূরণ করা। এই আন্দোলনের ফলে গণকর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে। সরকারের উচিত গণকর্মচারী সংগঠনগুলোর সাথে আলোচনা করে তাদের দাবি পূরণ করা।



