গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারানো মোট ৬ হাজার মানুষের জরুরি ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনের প্রয়োজন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, অঙ্গ হারানোদের পরিস্থিতি ভয়াবহ। সমস্ত অঙ্গচ্ছেদের ঘটনার ২৫ শতাংশই এমন শিশু, যারা এখন অল্প বয়সে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন।
গাজায় হাজার হাজার আহত বেসামরিক নাগরিক এবং তাদের পরিবার গভীর মানবিক যন্ত্রণা ভোগ করছে। টেকসই শারীরিক পুনর্বাসনের পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহায়তা পরিষেবা প্রয়োজন।
গত সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা (UNRWA)-এর প্রধান ফিলিপ লাজ্জারিনি বলেছিলেন, ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় বিশ্বজুড়ে মাথাপিছু সর্বাধিক সংখ্যক শিশু অঙ্গহীনতার শিকার হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১১ অক্টোবর থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
চলতি বছরের শুরুতেও একটি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল গত ২৭ মে থেকে গাজায় পৃথক সাহায্য বিতরণ উদ্যোগ শুরু করে। এই পদক্ষেপের পর অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষ প্রকট হয়ে উঠেছিল। ইসরায়েলি বাহিনী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপরও গুলি চালিয়ে যায়। এর ফলে শত শত মানুষ নিহত হয়। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষে শিশুসহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়।
গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকাজুড়ে যুদ্ধের জন্য ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি থেকে জানা যায়, অঙ্গহীন ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনায় শারীরিক পুনর্বাসনের পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহায়তা পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা গাজার মানুষের মানবিক যন্ত্রণা কমাতে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই প্রচেষ্টায় গাজার মানুষের মানবিক যন্ত্রণা কমাতে সহায়তা প্রদান এবং অঞ্চলটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা অন্তর্ভুক্ত।
গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা গাজার মানুষের মানবিক যন্ত্রণা কমাতে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই প্রচ



