তুরস্কের একচেটিয়া অর্থনৈতিক জলসীমার মধ্যে জাহাজে বারবার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় রাশিয়া তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর কৃষ্ণ সাগরে দুটি জাহাজে এবং গতকাল মঙ্গলবার একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল।
রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ভারশিনিন বলেছেন, তুর্কি অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাহাজে আক্রমণের এই অনুশীলন অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে ইউক্রেন সরকার যে বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে, তার মধ্যে ক্রিমিয়ান সেতু এবং অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামোতে নাশকতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ান জাহাজ ‘মিডভোলগা ২’-এর উপর একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। জাহাজটি উদ্ভিজ্জ তেল নিয়ে জর্জিয়া যাচ্ছিল। এই হামলায় জাহাজটির উপরিভাগের সামান্য ক্ষতি হয়, তবে কেউ আহত হয়নি।
তুরস্কের উপকূল থেকে ৮০ নটিক্যাল মাইল দূরে এই হামলাটি ঘটে। পরে জাহাজটি নিরাপদে তুরস্কের সিনোপ বন্দরে পৌঁছে যায়।
পৃথকভাবে ২৮ নভেম্বর গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘কাইরোস’ এবং ‘বিরাট’ পশ্চিম কৃষ্ণ সাগরে তুরস্কের উপকূল থেকে যথাক্রমে ২৮ এবং ৩৮ নটিক্যাল মাইল দূরে আক্রমণের শিকার হয়।
গত সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাহাজগুলোতে হামলা ইউক্রেনীয় সংঘাতের উদ্বেগজনক বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এটি অমার্জনীয়।
রাশিয়া এবং তুরস্ক উভয়েরই এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে। জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত করছে।
এই হামলার ঘটনায় রাশিয়া এবং তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই হামলার ঘটনায় রাশিয়া এবং তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে। জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই হামলার ঘটনায় রাশিয়া এবং তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। জাতিসং



