ইসরায়েল ঘোষণা করেছে যে তারা রাফাহ সীমান্ত খোলার পরিকল্পনা করছে, যাতে ফিলিস্তিনিরা মিশরের মাধ্যমে গাজা ছেড়ে যেতে পারে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কোগাট বলেছে যে এই সীমান্ত খোলার জন্য মিশরের সাথে সহযোগিতা করা হবে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষণে এটি করা হবে।
ইসরায়েলের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন যে এটি হামাসের সাথে বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহের সময় ইসরায়েলের সমর্থনের একটি প্রকাশ। তবে, মিশর এই সীমান্ত খোলার জন্য ইসরায়েলের সাথে সহযোগিতা করছে এমন কোনো তথ্য অস্বীকার করেছে।
মিশরের তথ্য বিভাগ বলেছে যে যদি এই সীমান্ত খোলার জন্য কোনো চুক্তি হয়, তাহলে এটি উভয় দিকেই খোলা থাকবে, গাজা স্ট্রিপে প্রবেশ এবং প্রস্থানের জন্য। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার অংশ।
গাজা স্ট্রিপে প্রায় ১৬,৫০০ ফিলিস্তিনি রয়েছেন যাদের জীবন বাঁচানোর জন্য বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে যে শুধুমাত্র ২৩৫ জন রোগী, যাদের অধিকাংশই শিশু, ইসরায়েলের সাথে সীমান্ত দিয়ে বের হয়েছে।
ইসরায়েলের হারেটজ পত্রিকা বলেছে যে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সহায়তা মিশনের সাথে একত্রে রাফাহ সীমান্ত পরিচালনা করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে গাজা স্ট্রিপের মানুষের জন্য একটি নতুন আশার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে, এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন কতটা সফল হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা জটিল। এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে।



