27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআফগানিস্তানে জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আফগানিস্তানে জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আফগানিস্তানে তালেবান প্রশাসন আবারও জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এই ঘটনায় এক কিশোরকে তার পরিবারের খুনিকে গুলি করতে বাধ্য করা হয়। খোস্ত প্রদেশের একটি স্টেডিয়ামে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

তালেবান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া অভিযুক্তের নাম মঙ্গল। তিনি নারী ও শিশুসহ ওই কিশোরের পরিবারের ১৩ জনকে হত্যা করেছিলেন। আফগানিস্তানের তিন ধাপের বিচারব্যবস্থা নিম্ন আদালত, আপিল আদালত ও সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলকে মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা দণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দেন।

জাতিসংঘ ঘটনাটিকে ‘অমানবিক ও নিষ্ঠুর’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি রিচার্ড বেনেট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে এটি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, বর্বর এবং নিষ্ঠুর শাস্তি।”

তালেবান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শরিয়া আইনের ‘কিসাস’ নীতির আওতায় এই শাস্তি কার্যকর করা হয়, যা মূলত প্রতিশোধমূলক, যেমন ‘চোখের বদলে চোখ’। আদালত ভুক্তভোগীদের পরিবারকে ক্ষমা করার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তারা কিসাসের দাবিতে অটল থাকায় মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হয়।

২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর তালেবান কঠোর শরিয়া আইন অনুযায়ী এটি ১১তম জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড। দেশটিতে হত্যা, ব্যভিচার ও চুরির মতো অপরাধে প্রকাশ্য শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড, অঙ্গহানি বা বেত্রাঘাতের প্রচলন রয়েছে।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি রিচার্ড বেনেট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে এটি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, বর্বর এবং নিষ্ঠুর শাস্তি।” ১৯৯০-এর দশকে তালেবান প্রথম ক্ষমতায় থাকাকালীন নিয়মিত প্রকাশ্য ফাঁসি, বেত্রাঘাত ও পাথর ছোড়ার শাস্তি কার্যকর করত।

দুই দশক পর দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তালেবান আবারও প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে শুরু করে। সে সময়ও একটি স্টেডিয়ামে হত্যাকাণ্ডের শিকার এক ব্যক্তির বাবা নিজ হাতে খুনিকে গুলি করেছিলেন।

আফগানিস্তানে জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এমন ঘটনা নতুন নয়। তালেবান প্রশাসন শরিয়া আইনের ভিত্তিতে এই ধরনের শাস্তি কার্যকর করে থাকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ধরনের শাস্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি রিচার্ড বেনেট বলেন, “জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, বর্বর এবং নিষ্ঠুর শাস্তি।” তিনি আরও বলেন, “আফগানিস্তানের কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের শাস্তি বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

আফগানিস্তানে জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জাতিসংঘ এই ধরনের শাস্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং আফগানিস্তানের কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের শাস্তি বন্ধ করার আহ্বান জানিয

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments