চুয়াডাঙ্গার জিবননগর উপজেলার মাধবখালী সীমান্তে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এর হাতে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম শহিদুল ইসলাম। তিনি চুয়াডাঙ্গার জিবননগর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
শহিদুল ইসলাম গত ২৯শে নভেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে মাধবখালী সীমান্তে গরুর ঘাস কাটার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে বিএসএফ সৈনিকরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। শহিদুলের পরিবার এখনও তার মরদেহ ফিরে পায়নি।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে যে শহিদুলের মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য তারা সরকারি পদ্ধতিতে প্রয়াস চালাচ্ছে। শহিদুলের মরদেহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণাগঞ্জ পুলিশ স্টেশনে রাখা হয়েছে। পরের দিন কৃষ্ণাগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়।
শহিদুলের পরিবার তার মরদেহ ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। তার স্ত্রী নাসরিন আক্তার জানিয়েছেন যে তার স্বামী গরুর ঘাস কাটার জন্য গিয়েছিলেন। বিএসএফ সৈনিকরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
এই ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফ উভয় পক্ষই তদন্ত শুরু করেছে। শহিদুলের পরিবার তার মরদেহ ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনায় ভারত সরকারের সাথে যোগাযোগ করেছে। বাংলাদেশ সরকার শহিদুলের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা এই ঘটনায় দোষীদের বিচারের আওতায় আনে।
শহিদুলের মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রয়াস চালাচ্ছে। বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারত সরকার উভয়ই গুরুত্ব সহকারে দৃষ্টি দিচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার শহিদুলের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে।
শহিদুলের মৃত্যু বাংলাদেশের জনগণের জন্য এক বড় ধাক্কা। বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনায় দৃষ্টি দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ও ভারত সরকার উভয়ই এই ঘটনায় সহযোগিতা করছে। শহিদুলের পরিবার তার মরদেহ ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে তারা এই ঘটনায় দোষীদের বিচারের আওতায় আনে।



