আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনমুখী ও উদ্ভাবনী প্রচারকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রচারকৌশল নিবিড় ও জনস্পর্শী হতে হবে।
বুধবার জুম প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য সচিব এ পরামর্শ দেন। গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উদ্যোগে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভা আয়োজন করা হয়।
তথ্য সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী অতীতের সব নির্বাচনের চেয়ে ইউনিক ও অভূতপূর্ব নির্বাচন হতে যাচ্ছে আগামী নির্বাচন। এ নির্বাচনে জেলা তথ্য অফিসগুলো ইনটেন্সিভ পাবলিসিটি বা জনমত গঠনের মূল দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একইদিনে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন বা গ্রাম লেভেল পর্যন্ত তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে অবহিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তথ্য অফিসাররা এ চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করবে।
সভাপতির বক্তব্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, প্রচার কাজে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ১০২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধির সাথে সমন্বয় করে ৩৪টি গান প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো আঞ্চলিক ভাষায় গেয়ে নির্দিষ্ট অঞ্চলে পরিবেশন করা হবে।
তথ্য সচিব বলেন, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সমন্বয় করে কাজ করবে। এছাড়া গুজব ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ের জন্য পিআইবির নেতৃত্বে বাংলা ফ্যাক্টের সাথে তথ্য অফিসারদের সংযোগ স্থাপন করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তথ্য অফিসারদের তিনি একটি ইনোভেটিভ টিম হিসেবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেন। একই সাথে তিনি জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য তাদের নির্দেশ দেন।
তথ্য সচিব বলেন, আজ থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করার জন্য জেলা তথ্য অফিসারদের নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রচারকৌশল নিবিড় ও জনস্পর্শী হতে হবে।



