মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেছেন, আমাদের অনেক সময় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কথা বলে থাকি, তবে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিতে আমাদের কাজ করতে হবে।
তিনি বলেছেন, আমদানি ও রপ্তানিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ডব্লিউটিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি-২ বা ক্ষুধা দূরীকরণ নিশ্চিত করতে আমাদের দায়িত্ব শুধু খাদ্য উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়।
উপদেষ্টা বলেছেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিক এবং পেস্টিসাইড ব্যবহারের সঠিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেছেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
যুক্তরাজ্য সরকারের ফ্লেমিং ফান্ড ২০২০ সাল থেকে ওয়ান হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের এএমআর নজরদারি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে আসছে। এই উদ্যোগের ফলে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষক, ভেটেরিনারিয়ান এবং মাঠ কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারে সহায়তা করছে।
উপদেষ্টা বলেছেন, ওয়ান হেলথ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মানবস্বাস্থ্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি—সব ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহার রোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।
অবশেষে, উপদেষ্টা বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করার জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত হতে হবে। তিনি বলেছেন, আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে এবং অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহার রোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।



