থাইল্যান্ড সরকার দেশটির পর্যটন শিল্পকে উদ্দীপিত করার লক্ষ্যে বিকেলে মদ্যপান নিষেধাজ্ঞা অস্থায়ীভাবে তুলে নিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা প্রায় চার দশক ধরে কার্যকর ছিল। এখন থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিকাল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত মদ্যপান করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞা প্রথমে ১৯৭২ সালে চালু করা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল সরকারি কর্মচারীদের কাজের সময় মদ্যপান রোধ করা। কিন্তু এটি দেশটিতে আগত পর্যটকদের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
এই সিদ্ধান্তটি খ্রিস্টমাস এবং নববর্ষের আগে এসেছে, যা পর্যটকদের জন্য দেশটিতে আগমনের পিক সিজন। পরবর্তী ১৮০ দিনের জন্য, দেশটিতে সকাল ১১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মদ্যপানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, যারা এই নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করত তাদের ১০,০০০ বাহত জরিমানা করা হত। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল পর্যটন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন, যা দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ডে মদ্যপানের হার এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে। দেশটির স্থানীয় মদ্যপান যেমন চাং এবং সিংহা খুবই জনপ্রিয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্প উদ্দীপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির পর্যটকদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। এটি দেশটির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হবে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির পর্যটকদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। এটি দেশটির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হবে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির পর্যটকদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। এটি দেশটির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হবে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির পর্যটকদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। এটি দেশটির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হবে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশটির পর্যটকদের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। এটি দেশটির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে সাহায্য করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হবে। এটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
থাইল্যান্ড সরকারের এই সিদ



