সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সয়াবিন তেলের দাম নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। ব্যবসায়ীরা ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছে। এক লাফে লিটারে বোতলজাতে ৯ টাকা এবং খোলা তেলে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সরকার বলছে, এই দাম বাড়ানোর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। আলোচনা করে এর সমাধান করা হবে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, কোম্পানিগুলো একত্রিত হয়ে তেলের দাম বাড়িয়েছে। তারা যা করেছেন, তার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।
ব্যবসায়ীরা বলছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে। সরকারকে জানিয়েই তারা মূল্য সমন্বয় করেছেন। কিন্তু সরকার বলছে, তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছি। এখন আমরা আলোচনা করে কর্মপন্থা ঠিক করব।
এই বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সরকার বলছে, তারা আইনগত কোনো ভিত্তি ছাড়াই দাম বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছে, তারা বিশ্ববাজারের দামের উপর ভিত্তি করে দাম বাড়িয়েছে।
এই দ্বন্দ্বের ফলে ভোক্তারা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের সমাধান হবে।
সরকার বলছে, তারা ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করছে। ব্যবসায়ীরা বলছে, তারা বিশ্ববাজারের দামের উপর ভিত্তি করে দাম বাড়িয়েছে। এই দ্বন্দ্বের ফলে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের সমাধান হবে। ভোক্তারা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
সরকার বলছে, তারা ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করছে। ব্যবসায়ীরা বলছে, তারা বিশ্ববাজারের দামের উপর ভিত্তি করে দাম বাড়িয়েছে। এই দ্বন্দ্বের ফলে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের সমাধান হবে।



