বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় এসেছে। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন। এই পিটিশনের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছে।
পিটিশনে বলা হয়েছে, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পরিবর্তে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য উচ্চ আদালতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এই পিটিশনের প্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উত্তরদাতা করা হয়েছে। উচ্চ আদালত এই পিটিশনের শুনানি পরবর্তী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
গত ২৯শে নভেম্বর, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছিলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে।
এই পিটিশনের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে সবাই চাক্ষুষ রাখছে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, এটি নিশ্চিত যে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। এই অধ্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নতুন করে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য নতুন করে চিন্তা করতে হবে।
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষও উদ্বিগ্ন। তারা চায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হোক এবং দেশের উন্নয়ন অব্যাহত থাকুক। তারা আশা করছে যে রাজনৈতিক দলগুলো দেশের স্বার্থে কাজ করবে এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য নতুন করে চিন্তা করবে।



