বাংলাদেশে স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির মধ্যকার সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত সোমবার সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রবাসীরা দেশে ছুটি কাটানোর সময়ে ৬০ দিন পর্যন্ত স্মার্টফোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন। ৬০ দিনের বেশি থাকলেই মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
প্রবাসীদের যাদের বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড আছে, তারা ফ্রিতে মোট তিনটি ফোন সঙ্গে আনতে পারবেন। অর্থাৎ নিজের ব্যবহারের হ্যান্ডসেটের অতিরিক্ত দু’টি নতুন ফোন সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন ফ্রিতে। চতুর্থ ফোনের ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে।
স্মার্টফোনের বৈধ আমদানি শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হবে। আমদানি শুল্ক কমালেই বাংলাদেশের ১৩-১৪টি ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনকৃত মোবাইলের শুল্ক ও ভ্যাট কমাতে হবে, অন্যথায় কোম্পানিগুলোর বিদেশি বিনিয়োগ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশে ক্লোন মোবাইল, চুরি/ছিনতাই করা ফোন এবং রিফারবিশড মোবাইল আমদানি বন্ধ করা হবে। ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাজারে অবৈধভাবে আমদানি করা স্টক ফোনগুলোর মধ্যে যেগুলোর বৈধ আইএমইআই নাম্বার আছে, সেই আইএমইআই লিস্ট বিটিআরসিতে জমা দিয়ে হ্রাসকৃত শুল্কে সেগুলোকে বৈধ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। স্মার্টফোনের দাম কমে যেতে পারে, যা ভোক্তাদের জন্য উপকারী হবে। তবে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে কাজ করা কোম্পানিগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে। ভোক্তারা সস্তা দামে স্মার্টফোন কিনতে পারবে, যা তাদের জন্য উপকারী হবে। তবে, কোম্পানিগুলোকে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। কোম্পানিগুলো নতুন নতুন পণ্য বাজারে আনতে পারে, যা ভোক্তাদের জন্য উপকারী হবে। তবে, সরকারকে এই শিল্পের জন্য উপযুক্ত নীতি ও নিয়ম তৈরি করতে হবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। ভোক্তারা সস্তা দামে স্মার্টফোন কিনতে পারবে, যা তাদের জন্য উপকারী হবে। তবে, কোম্পানিগুলোকে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। কোম্পানিগুলো নতুন নতুন পণ্য বাজারে আনতে পারে, যা ভোক্তাদের জন্য উপকারী হবে। তবে, সরকারকে এই শিল্পের জন্য উপযুক্ত নীতি ও নিয়ম তৈরি করতে হবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের জন্য এক



