প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও জাতি গঠনে অবদানের জন্য প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী জাতির নিরাপত্তা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
প্রফেসর ইউনুস মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে জাতীয় প্রতিরক্ষা কোর্স (এনডিসি) ও সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্স (এএফডব্লিউসি) ২০২৫-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী প্রাকৃতিক বিপর্যয়, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মহামারীর মতো জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।
প্রফেসর ইউনুস আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের বিশ্বব্যাপী ইমেজকে উন্নত করেছে। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীকে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রফেসর ইউনুস বলেন, নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, জনগণ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে।
প্রফেসর ইউনুস বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।
প্রফেসর ইউনুসের এই বক্তব্য আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচন ও গণভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
এদিকে, সশস্ত্র বাহিনী ইতিমধ্যেই নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।
সরকার ও বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যেই নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা শুরু করেছে। তারা জনগণের সমর্থন অর্জনের জন্য কাজ করছে।
নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত। তবে, এটা নিশ্চিত যে নির্বাচন ও গণভোট দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



