বাংলাদেশে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিলেও, সরকার এ বিষয়ে কিছুই জানত না।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো কারণ থাকলে সেটা নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এদিকে, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি আইনের ব্যত্যয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সোয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৯ টাকা। নতুন করে বাজারে আসা পাঁচ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৯৬৫ টাকায়। আগের দাম ছিল ৯২২ টাকা।
বাজার তদারকি শিথিল হওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে বাজার মনিটরিং জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব ব্যাপক। এর ফলে খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব গুরুতর। এর ফলে দেশের মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জনগণ তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতি উদ্বিগ্ন। এর ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



