ইউরোপীয় ব্যবসা ও কূটনীতিকরা বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আমদানি বাড়াতে বলছে। এটি করার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের সাথে ইইউ-এর বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায়।
বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটির ঢাকাস্থ অফিসে সোমবার এক যৌথ সংলাপে এই আহ্বান জানানো হয়। এই সংলাপে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ইইউ ও বাংলাদেশ একটি পারস্পরিক সুবিধাজনক বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্বের সাফল্য নির্ভর করবে সমন্বয়, সমতা ও নিরপেক্ষতার উপর।
ইইউ-এর কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের সাথে আরও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিতে প্রবেশ করেছে। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পণ্য আমদানি করবে।
ইইউ বাংলাদেশের বৃহত্তম পণ্য রফতানি গন্তব্য। ২০২৪ সালে ইইউ-এর সাথে বাংলাদেশের মোট পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২২.২ বিলিয়ন ইউরো। এর মধ্যে ইইউ-এর ঘাটতি ছিল ১৭.৫ বিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশ থেকে ইইউ-এ রফতানিকৃত পণ্যের ৯৪ শতাংশই ছিল পোশাক ও বস্ত্র। অন্যদিকে, ইইউ-এর বাংলাদেশে রফতানিকৃত পণ্যের মধ্যে ৩৫ শতাংশই ছিল যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রসমূহ এবং ২৩ শতাংশই ছিল রাসায়নিক পণ্য।
সেবা খাতে, ২০২৩ সালে ইইউ-এর সাথে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২ বিলিয়ন ইউরো। এর মধ্যে ইইউ-এর ভারসাম্য ছিল ০.৮ বিলিয়ন ইউরো।
ইইউ-এর এই আহ্বানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতির উপর নতুন চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশকে এখন তার বাণিজ্য অংশীদারদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এখন ইইউ-এর সাথে আলোচনা শুরু করতে হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই ঘটনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে এখন তার বাণিজ্য নীতির উপর নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।
ইইউ-এর সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে এখন এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এখন ইইউ-এর সাথে আলোচনা শুরু করতে হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই ঘটনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে এখন তার বাণিজ্য নীতির উপর নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।
ইইউ-এর সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে এখন এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এখন ইইউ-এর সাথে আলোচনা শুরু করতে হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই ঘটনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে এখন তার বাণিজ্য নীতির উপর নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে।
ইইউ-এর সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প



