সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের তিনটি দাবি পূরণ না হওয়ায় সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে শিক্ষকরা এই বন্ধ পালন করছে।
এই বন্ধের ঘোষণা গতকাল রাতে পরিষদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দেওয়া হয়। শিক্ষকরা তাদের তিনটি দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই বন্ধ চলবে। তাদের দাবিগুলো হলো – সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করা, দশ ও ষোল বছর চাকরির পরে উচ্চ গ্রেডের সুবিধার জটিলতা নিরসন, এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে ১০০ শতাংশ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
আর্থিক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও দাবিগুলো পূরণে ২২ দিন পার হয়ে গেছে। এই কারণেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে।
পরিষদের নেতাদের মতে, শিক্ষকরা তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা বয়কট এবং বন্ধ চালিয়ে যাবে। পরিষদের একজন নেতা ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছেন যে বন্ধ চলবে যতক্ষণ না দাবিগুলো পূরণ করা হয়।
পরিষদের চারজন আহ্বায়ক – আবুল কাশেম, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ, খায়রুন নাহার লিপি এবং মাহবুবুর রহমান – সহ ২০২৩ ও ২০২৫ ব্যাচের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারণে শিক্ষকরা আজ প্রতিটি উপজেলা শিক্ষা অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করবে।
এই বন্ধের ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হবে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সরকারকে শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ হলো যে তারা এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকবে। তারা নিজেদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করবে। সরকারকেও শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় এই ধরনের বন্ধ কখনই কাম্য নয়। এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।
শিক্ষকরা তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই বন্ধ চালিয়ে যাবে। সরকারকে শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা হতে হবে।
সর্বশেষে, সরকারকে শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা হতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য এই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।
আপনি কি মনে করেন এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সরকার কী করতে পারে? আপনি কি মনে করেন শিক্ষকরা তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই বন্ধ চালিয়ে যাবে?



