আগামীকাল এভারকেয়ার হাসপাতালের নিকটবর্তী দুটি খোলা মাঠে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড়ান পরিচালনা করা হবে। এই পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড়ান অপারেশনটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করে পরিচালিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনুসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি বিবৃতি অনুসারে, এই পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড়ান অপারেশনটি বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে। জনসাধারণকে এই পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড়ান অপারেশন সম্পর্কে কোনো ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।
সোমবার রাতে, সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘ভিভিআইপি’ (অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) ঘোষণা করে, যার ফলে তিনি এসএসএফ-এর নিরাপত্তা কভারেজের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন। তিনি ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
বুধবার সকালে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য একজন ব্রিটিশ চিকিৎসক ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা এই পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড়ান অপারেশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছেন।
এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন যে এই ঘটনাটি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রভাবকে বাড়িয়ে তুলবে, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করেন যে এটি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে এখনও কিছু বলা যায় না। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



