ফুটবল খেলায় একজন খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানোর ঘটনা ঘটেছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই ধরনের ঘটনা আসলেই ঘটেছে। ১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে স্টোক সিটি ও বার্নলির মধ্যে একটি ম্যাচে এমনটি ঘটেছিল। স্টোক সিটির ডেনিস স্মিথ ইতিমধ্যেই একটি হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। তিনি মাঠ ছাড়ার সময় দেরি করায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন।
এছাড়াও ২০০৮ সালে শেফিল্ড ওয়েডনেসডে ও ব্রামাল লেনের মধ্যে একটি ম্যাচে জেরমেইন জনসন একটি হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। তিনি মাঠ ছাড়ার সময় একটি পানির বোতল ছুড়ে ফেলায় তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছিল।
এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক ফুটবলেও ঘটেছে। ১৯৯৭ সালে পর্তুগাল ও জার্মানির মধ্যে একটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে রুই কোস্তা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। তিনি মাঠ ছাড়ার সময় সময় নষ্ট করায় তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছিল।
এই ধরনের ঘটনা ফুটবল খেলায় বিরল হলেও ঘটে থাকে। খেলোয়াড়দের উচিত মাঠ ছাড়ার সময় সময় নষ্ট না করা এবং রেফারির নির্দেশ মেনে চলা।
পরবর্তী ম্যাচে খেলোয়াড়দের উচিত সতর্ক থাকা এবং রেফারির নির্দেশ মেনে চলা। ফুটবল খেলা একটি টিম গেম এবং খেলোয়াড়দের উচিত একে অপরের সাথে সহযোগিতা করা এবং রেফারির নির্দেশ মেনে চলা।
ফুটবল খেলা একটি জনপ্রিয় খেলা এবং খেলোয়াড়দের উচিত এটিকে সম্মান করা এবং রেফারির নির্দেশ মেনে চলা। খেলোয়াড়দের উচিত একে অপরের সাথে সহযোগিতা করা এবং রেফারির নির্দেশ মেনে চলা যাতে খেলা সুষ্ঠুভাবে চলে।



