বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমেছে। কিন্তু দেশে কমেছে সামান্যই। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মুনাফা বেড়েছে। গত অর্থবছরে বিপিসি ৪ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখে দেশে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ শুরু হয়। ভর্তুকি থেকে সরে আসে ওই সরকার। তখন ‘অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের’ কারণে অর্থনীতি সংকটে পড়েছিল।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, আয়করের মতো প্রত্যক্ষ কর বাড়াতে না পেরে, ধনী ও সচ্ছলদের কাছ থেকে যথেষ্ট কর আদায় করতে না পেরে এবং বড় বড় প্রকল্প নিয়ে বিপাকে থাকা বিগত সরকার রাজস্ব আয়ের জন্য জ্বালানি তেলের মতো খাতকে বেছে নিয়েছিল। সে অবস্থার পরিবর্তন তেমন একটা হয়নি।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে, দেশে কমে না কেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মূল্যস্ফীতি কমেছে, তবে তা এখনো ৮ শতাংশের বেশি। ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে কমিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশ পারেনি।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, জ্বালানি তেলের দাম কমালে পরিবহন ভাড়া ও উৎপাদন খরচ কমানোর সুযোগ তৈরি হতো। এতে মানুষ সুফল পেত। জ্বালানি তেল একটি কৌশলগত পণ্য। এর ব্যবসা সরকারের হাতে রাখা হয় মুনাফা নয়, বরং নিরাপত্তা ও জনগণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে।
জ্বালানি তেলে মুনাফা করলেও বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে বড় ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা। বিগত সরকারের সময় একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাশুল দিতে হচ্ছে। এ সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ায়নি।
জ্বালানি তেলের দাম না কমানোর ক্ষেত্রে যুক্তি হলো, দাম কমালে প্রতিবেশী দেশে তেল পাচারের শঙ্কা থাকে। আবার বিপরীতমুখী যুক্তি হলো, জ্বালানি তেলের দাম কমালে মূল্যস্ফীতি কমবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সরকারকে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। সরকারকে অর্থনীতির সংকট মোকাবেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
জ্বালানি তেলের দাম কমানোর জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। সরকারকে অর্থনীতির সংকট মোকাবেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। এতে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা আসবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, জ্বালানি তেলের দাম কমানোর জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। সরকারকে অর্থনীতির সংকট মোকাবেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। এতে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা আসবে।



