ইন্দোনেশিয়া এবং নেদারল্যান্ডস একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে দুই বয়স্ক ওলন্দাজ নাগরিক, যারা ইন্দোনেশিয়ায় মাদক অপরাধে কারাবন্দী, তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এদের মধ্যে একজন মৃত্যুদণ্ডে এবং অন্যজন আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত।
ওলন্দাজ সরকার মানবিক কারণে তাদের প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করেছিল। ইন্দোনেশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে উভয় ব্যক্তি স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। সিগফ্রিড মেটস, ৭৪, ২০০৮ সালে ৬০০,০০০ একস্টেসি পিল চোরাচালানের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। আলি টকম্যান, ৬৫, ২০১৫ সালে ৬ কিলোগ্রাম এমডিএমএ চোরাচালানের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন, কিন্তু পরে তার সাজা আজীবন কারাদণ্ডে কমিয়ে আনা হয়।
মেটস ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় এবং টকম্যান সুরাবায়া শহরে কারাগারে বন্দী। ওলন্দাজ সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা ইন্দোনেশিয়ান কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। ইন্দোনেশিয়ান সরকার অক্টোবর মাসে তাদের প্রত্যাবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে দুই ব্যক্তির ভাগ্য ওলন্দাজ সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
দুই ব্যক্তি ৮ই ডিসেম্বর আমস্টারডামে ফিরে যাবেন বলে ইন্দোনেশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রত্যাবর্তন চুক্তিটি জাকার্তায় ইন্দোনেশিয়ার আইন ও মানবাধিকার সমন্বয়কারী মন্ত্রী ইউসরিল ইহজা মাহেন্দ্র এবং ওলন্দাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইল স্বাক্ষর করেছেন।
ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ৫০০ জন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত বন্দী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই মাদক অপরাধে দণ্ডিত। ইন্দোনেশিয়া স্বাস্থ্য কারণে বিদেশী বন্দীদের প্রত্যাবর্তন করছে। গত মাসে, ইন্দোনেশিয়া দুই ব্রিটিশ বন্দীকে প্রত্যাবর্তন করেছে, যারা মাদক অপরাধে দণ্ডিত হয়েছিলেন।
এই প্রত্যাবর্তন চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ওলন্দাজ সরকার ইন্দোনেশিয়ান কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য কৃতজ্ঞ। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে আরও ভালো সম্পর্কের দিকে পরিচালিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়া এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে এই চুক্তি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা এবং বোঝাপড়ার প্রতিফলন ঘটাবে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে আরও ভালো সম্পর্কের দিকে পরিচালিত করবে এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।
এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আরও ভালো সম্পর্কের দিকে পরিচালিত করবে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা এবং বোঝাপড়ার প্রতিফলন ঘটাবে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে আরও ভালো সম্পর্কের দিকে পরিচালিত করবে এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।



