বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জের হাওড় অঞ্চলে একটি ভয়ংকর গেরিলা বাহিনী আবির্ভূত হয়েছিল। এই বাহিনীটি ছিল বাসু বাহিনী, যা আবদুল মোতালিব বাসুর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল। বাসু বাহিনী শুরুতে বাসুর নিজস্ব অনুসারীদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে এটি ৩টি জেলার ৯টি উপজেলায় ৩০০টিরও বেশি লড়াকুদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল।
বাসু বাহিনীর কিছু গল্প জাহাঙ্গীর আলম জাহানের কিশোরগঞ্জ জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বইতে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, যারা তাদের সুরক্ষায় বাস করত তাদের স্মৃতিতেও এই গল্পগুলো সংরক্ষিত আছে। বাসু বাহিনীর সদস্য আবদুল ওয়াহাব, ৭৭ বছর বয়সী, বলেছেন যে প্রফেসর ইয়াকুব মিয়া প্রাথমিকভাবে বাসুকে বিশ্বাস করতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, কিন্তু পরে তার আস্থা জন্মেছিল। প্রথম শিবিরটি গুরুই ইউনিয়ন পরিষদে ৪৫ জন লড়াকু নিয়ে স্থাপিত হয়েছিল।
মে মাসে, বাসু বাহিনী বেলাবো, নরসিংদিতে উজলাবাড়ি শিবিরে দুই সপ্তাহ ধরে প্রশিক্ষণ নেয়। এরপর, তারা গুরুই এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। তাদের প্রথম অভিযান ছিল হাওড় অঞ্চলের দুইজন খ্যাতিমান সহযোগীকে হত্যা করা। এরপর, তারা একের পর এক অভিযান চালায়। জুনের ২৫ তারিখে, তারা বাজিতপুরে হামলা চালায়।
বাসু বাহিনীর সদস্যরা বলেছেন যে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তারা বলেছেন যে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
বাসু বাহিনীর গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করেছে এমন অনেক মানুষের সাহস ও বীরত্বের কথা বলে।
বাসু বাহিনীর সদস্যরা বলেছেন যে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য লড়াই করেছেন। তারা বলেছেন যে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
বাসু বাহিনীর গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করেছে এমন অনেক মানুষের সাহস ও বীরত্বের কথা বলে। এই গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলেছে।
বাসু বাহিনীর গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করেছে এমন অনেক মানুষের সাহস ও বীরত্বের কথা বলে। এই গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলেছে। বাসু বাহিনীর গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।



