27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাসাত বছরেও বিচার না পেয়ে হতাশ অরিত্রীর পরিবার

সাত বছরেও বিচার না পেয়ে হতাশ অরিত্রীর পরিবার

ঢাকার বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় সাত বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না পেয়ে হতাশ তার পরিবার।

এই ঘটনায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী বলেন, আইন সাধারণ মানুষের জন্য না। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও বিচার পেলাম না। বিচারে যা হয় হোক, সমস্যা নাই।

২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল পাওয়া যায়। নকলের অভিযোগ এনে তাকে বের করে দেওয়া হয় হল থেকে। টিসি দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

পরদিন মা-বাবাকে ডেকে নিয়ে ‘অপমান’ করে কর্তৃপক্ষ। মা-বাবার অপমান সহ্য করতে না পেরে ৩ ডিসেম্বর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মেয়েটি।

ওই ঘটনায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকার পরদিন পল্টন মডেল তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার’ অভিযোগ এনে মামলা করেন।

দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় দায়ের করা মামলায় তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে, এমন অভিযোগে অরিত্রীকে পরদিন তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়।

এজাহারে বলা হয়, দিলীপ অধিকারী স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ওই দিন স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের ‘অপমান করে’ কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি নিয়ে যেতে বলেন। পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও ‘একই রকম আচরণ’ করেন।

এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে দিলীপ দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে। মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় ২০১৯ সালের ২০ মার্চ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ডিবির পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার।

অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, ‘নির্দয় ব্যবহার ও অশিক্ষকসুলভ আচরণে’ অরিত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয়।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তখনকার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস এবং শাখা প্রধান জিনাত আক্তারকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়। আর অরিত্রীর শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাদের বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। এরপর শুরু হয় বিচারের প্রক্রিয়া।

এই ঘটনায় অরিত্রীর পরিবার এখনও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। তারা আশা করছে যে বিচার শীঘ্রই শেষ হবে এবং তারা ন্যায়বিচার পাবে।

অরিত্রীর ঘটনা আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে শিক্ষকদের উচিত ছাত্রদের সাথে সহানুভূতি ও বোঝাপড়ার সাথে আচরণ করা। ছাত্ররা তাদের ভবিষ্যতের ভিত, তাই তাদের সাথে সঠিক আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা কি শিক্ষার্থীদের সাথে সহানুভূতি ও বোঝাপড়ার সাথে আচরণ করতে পারি? আমরা কি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন ন

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments