ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে মস্কোতে এক বৈঠক করেন। এই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন শান্তি পরিকল্পনার বিস্তারিত আলোচনা হয়।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহকারী ইউরি উশাকভ জানান, আলোচনাটি উপকারী হলেও ইউক্রেনের দখলকৃত ভূখণ্ড নিয়ে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। তিনি বলেন, কিছু আমেরিকান প্রস্তাব আলোচনা করা যায়, কিন্তু অনেক প্রস্তাব রাশিয়ার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে বলেন, প্রায় চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ শেষ করা সহজ নয়। তিনি বলেন, আমাদের লোকজন এখন রাশিয়ায় রয়েছে। চেষ্টা চলছে, কিন্তু পরিস্থিতি খুব জটিল।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো পরিকল্পনা যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে শেষ করতে হবে, অস্থায়ী বিরতি নয়। তিনি বলেন, ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
এই আলোচনার ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো পরিকল্পনা যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে শেষ করতে হবে।
এই আলোচনার ফলে ইউরোপের উদ্বেগ বাড়বে। ইউরোপ চায় যাতে ওয়াশিংটন ও মস্কো তাদের বাদ দিয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছে না যায়।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইউক্রেনের মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। রুশ অগ্রযাত্রা, দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি ও বিদ্যুৎ না থাকা; দেশটির মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
এই আলোচনার ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইউরোপের উদ্বেগ বাড়বে। ইউরোপ চায় যাতে ওয়াশিংটন ও মস্কো তাদের বাদ দিয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছে না যায়।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইউক্রেনের মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। রুশ অগ্রযাত্রা, দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি ও বিদ্যুৎ না থাকা; দেশটির মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো পরিকল্পনা যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে শেষ করতে হবে।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইউরোপের উদ্বেগ বাড়বে। ইউরোপ চায় যাতে ওয়াশিংটন ও মস্কো তাদের বাদ দিয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছে না যায়।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইউক্রেনের মানুষের ভোগান্তি



