মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেছেন, তিনি ভেনেজুয়েলার একটি নৌযানে দ্বিতীয় মারাত্মক হামলার আগে কোনো বেঁচে থাকা ব্যক্তিকে দেখেননি।
এই হামলায় দুজন লোক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিল এবং তারা পুড়ে যাওয়া জাহাজের সাথে ঝুলছিল।
এই ঘটনাটি ২ সেপ্টেম্বর ঘটেছিল এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
হাইতির কাছে ক্যারিবিয়ান সাগরে একটি সন্দেহভাজন মাদক জাহাজে হামলা করা হয়েছিল।
এই হামলার পরে, মার্কিন নৌবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ অফিসার ফ্র্যাংক ব্র্যাডলি দ্বিতীয় হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই ঘটনাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
হেগসেথ বলেছেন, তিনি প্রথম হামলাটি সরাসরি দেখেছিলেন, কিন্তু তারপরে অন্য একটি বৈঠকে যোগ দিতে চলে গিয়েছিলেন।
তিনি বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকা কাউকে দেখেননি, কারণ জাহাজটি আগুনে পুড়ছিল এবং তা বিস্ফোরিত হয়েছিল।
তিনি বলেছেন, এটি যুদ্ধের ধোঁয়াটি, যা একটি বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেছেন, তিনি অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেছেন, তারা অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির পিছনে রয়েছেন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনার পরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে আরও বিতর্ক সৃষ্টি করবে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে আরও বিতর্ক সৃষ্টি করবে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেছেন, তিনি অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেছেন, তারা অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির পিছনে রয়েছেন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে আরও বিতর্ক সৃষ্টি করবে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেছেন, তিনি অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেছেন, তারা অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির পিছনে রয়েছেন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেছেন, তিনি অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেছেন, তারা অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলির পিছনে রয়েছেন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে এবং এটি সামরিক সংঘর্ষের আইন লঙ্ঘনের ব



