ইংল্যান্ডের হিলসবরো দুর্ঘটনার ঘটনায় কোনও পুলিশ অফিসারকে শাস্তি দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯৮৯ সালের এই দুর্ঘটনায় ৯৭ জন মারা গিয়েছিল। এই দুর্ঘটনার তদন্ত করে স্বাধীন পুলিশ আচরণ কমিশন (আইওপিসি) ১৪ বছর পর তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ১২ জন পুলিশ অফিসার, যাদের অধিকাংশই সিনিয়র, তারা যদি এখনও চাকরিতে থাকতেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের মামলা করা হতো। কিন্তু এই অফিসাররা সবাই অবসর নিয়েছেন বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
এই দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া লোকদের পরিবারের সদস্যরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন যে এটা একটা অত্যন্ত অন্যায় ব্যাপার। স্টিভ কেলি, যার ভাই মাইক ৩৮ বছর বয়সে এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন, বলেছেন যে সময়ের কারণে কেউ এই অপরাধ থেকে মুক্তি পাওয়া উচিত নয়।
মার্গারেট অ্যাসপিনাল, যার ছেলে জেমস ১৮ বছর বয়সে এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন, বলেছেন যে পুলিশ অফিসাররা খুব ভাগ্যবান যে তারা তাদের বাড়িতে মারা গেছেন, আমাদের মতো ট্রমাতized হয়নি। হিলসবরোতে মারা যাওয়া সবচেয়ে ছোট ছেলেটির বয়স ছিল ১০ বছর, পুলিশ অফিসাররা খুব ভাগ্যবান যে তারা বড় হয়েছেন।
আইওপিসি বলেছে যে দশজন পুলিশ অফিসার, যাদের অধিকাংশই সাউথ ইয়র্কশায়ার পুলিশে ছিলেন, তারা যদি এখনও চাকরিতে থাকতেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের মামলা করা হতো। এই অফিসারদের মধ্যে কয়েকজন সিনিয়র অফিসার ছিলেন যারা হিলসবরোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
আইওপিসি বলেছে যে পিটার রাইট, যিনি সাউথ ইয়র্কশায়ার পুলিশের চিফ কনস্টেবল ছিলেন, তার বিরুদ্ধে ছয়টি অসদাচরণের অভিযোগ আনা হতো। এই অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল পুলিশের দায়িত্ব কমানোর চেষ্টা করা এবং দোষ ভিক্টিমদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা।
দুইজন অন্য অফিসার, মার্ভিন জোন্স এবং মাইকেল ফস্টার, যারা ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশে ছিলেন, তারা যদি এখনও চাকরিতে থাকতেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হতো। এই অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল ভিক্টিমদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করা এবং তদন্ত সঠিকভাবে করতে ব্যর্থ হওয়া।
এই সিদ্ধান্তের পর হিলসবরো দুর্ঘটনার ভিক্টিমদের পরিবারের সদস্যরা খুব ক্ষুব্ধ। তারা বলেছেন যে এটা একটা অত্যন্ত অন্যায় ব্যাপার এবং তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন।
এই ঘটনার পর পুলিশ বিভাগ এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে গেছে। এই ঘটনার তদন্ত করে স্বাধীন পুলিশ আচরণ কমিশন (আইওপিসি) ১৪ বছর পর তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ১২ জন পুলিশ অফিসার, যাদের অধিকাংশই সিনিয়র, তারা যদি এখনও চাকরিতে থাকতেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের মামলা করা হতো।
এই ঘটনার পর পুলিশ বিভাগ এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে গেছে। এই ঘটনার তদন্ত করে স্বাধীন পুলিশ আচরণ কমিশন (



