বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই গম কেনার জন্য বাংলাদেশকে ৮৪২ কোটি ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা খরচ করতে হবে। প্রতি টনে খরচ পড়ছে ৩১২ দশমিক ২৫ ডলার।
মঙ্গলবার সরকার ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই গম কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করেছে। তিনটি চালানে এসেছে মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৩৬ টন গম।
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করেছে। এই সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করছে। এছাড়াও সরকার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তৃতীয় লটে ৪০ হাজার টন দানাদার ইউরিয়া সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে কেনা হবে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল। একই পদ্ধতিতে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির কেনার বিষয়ে বৈঠকে সুপারিশ এসেছে।
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার এই গম আমদানি করছে। এই গম আমদানি দেশের খাদ্য চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই গম আমদানি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই গম আমদানি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ দেশের খাদ্য চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই গম আমদানি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও এই গম আমদানি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই গম আমদানি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ দেশের খাদ্য চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



