সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর বিপক্ষে ন্যাশনাল ক্রিকেট লীগ ম্যাচে সিলেটের ব্যাটার আমিত হাসান তার ক্যারিয়ার-সেরা স্কোর ২১৩ রান করেছেন। আমিত রাত্রি থেকে অপরাজিত ছিলেন ১৭২ রানে, আর তিনি এই স্কোরটি ২২১ বলে ২৮টি চার এবং একটি ছক্কার সাহায্যে অর্জন করেন।
আমিতের আউট হওয়ার পর সিলেটের চতুর্থ উইকেটের জুটি ভেঙে যায়, যেখানে অন্য শতকবিদ আসাদুল্লাহ আল গালিব ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। গালিব ২৯৮ বলে ১৮০ রান করেন, কিন্তু দ্বি-শতক করতে পারেননি। সিলেট আট উইকেটে ৫৩৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। রাজশাহীর বোলার নাহিদ রানা তিনটি উইকেট নেন ৮৮ রানে।
রাজশাহী দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে তিন উইকেটে ১৪৬ রান করে, আর তাদের চতুর্থ দিনের আগে সিলেটের থেকে ১৫৩ রান পিছিয়ে রয়েছে। এস এম মেহেরব হাসান অপরাজিত রয়েছেন ৫৫ রানে।
এদিকে, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রংপুরকে এক ইনিংস এবং ৪৩ রানে হারিয়েছে। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রান করে ফলো-অন খেলতে বলা হয়েছিল রংপুরকে, আর তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রান করেছে। চট্টগ্রামের স্পিনার হাসান মুরাদ এবং নায়েম হাসান প্রত্যেকেই চারটি করে উইকেট নিয়েছেন। চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ৩৫০ রান করেছিল।
সিলেট একাডেমি গ্রাউন্ডে ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪২ রান করেছে ৯ উইকেটের বিনিময়ে। বরিশালের বোলার রুয়েল মিয়া ৬৪ রানে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন। বরিশাল চার উইকেটে ১০৪ রান করেছে, আর তাদের এখনও ২৭২ রানের ঘাটতি রয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে খুলনা দ্বিতীয় ইনিংসে ধীরগতিতে ব্যাটিং করছে ঢাকার বিপক্ষে।
পরবর্তী ম্যাচের জন্য সকল দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই মৌসুমের লড়াইয়ে কোন দল শিরোপা জিতবে তা দেখার জন্য সকলেই উদ্বিগ্ন।
খেলার এই মৌসুম শেষ হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। দলগুলো তাদের শেষ ম্যাচগুলোতে সবশেষ প্রচেষ্টা চালাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই মৌসুমের শেষ ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রতিটি দল তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সকল দল তাদের শেষ ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। এই মৌসুমের শেষ ম্যাচগুলো খুবই রোমাঞ্চকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



