জামায়াতে ইসলামী ও এর মিত্ররা নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জামায়াতের সহসভাপতি আব্দুল হালিম এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, সরকারের জুলাই চার্টার বাস্তবায়নের জন্য গণভোট অপরিহার্য। প্রাথমিকভাবে তারা গণভোট আলাদা দিনে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রস্তাব করেছিল, কিন্তু জাতীয় স্থিতিশীলতার জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে।
জামায়াতের নেতা আব্দুল হালিম আরও বলেছেন, তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ে আশাবাদী। তিনি জাতীয় পার্টিকে সমালোচনা করে বলেছেন, তাদের ‘চাপাবাজি’ শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।
জামায়াতের নেতা আব্দুল হালিম বলেছেন, জাতীয় পার্টি ভারত-নির্ভর প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতায় রাখতে এবং ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেটকে ব্যাহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
রংপুরে আসন্ন বিভাগীয় বিশাল সমাবেশের বিষয়ে আব্দুল হালিম বলেছেন, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেবে, যা দেশকে একটি নতুন বার্তা দেবে। তিনি আরও বলেছেন, আটটি দলের জোট সরকারকে তাদের পাঁচটি দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত রাজনৈতিক বার্তা দেবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশব্যাপী প্রার্থনার বিষয়ে আব্দুল হালিম বলেছেন, এই ধরনের ঐক্য রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে দেখা দেয়।
জামায়াতের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।
জামায়াতের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।
জামায়াতের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।



