চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো এক মিথ্যা ছাত্রকে ধরে ফেলা হয়েছে। এই মিথ্যা ছাত্রের নাম সিমান্ত ভৌমিক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বছরের ছাত্র হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
সিমান্ত ভৌমিক খুলনা সদরের বাসিন্দা। তিনি ২০২৪ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। তিনি ছাত্র ও দোকানদারদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র জানিয়েছেন, সিমান্ত ভৌমিকের আচরণ সন্দেহজনক ছিল। তিনি প্রায়ই অর্থ ধার চাইতেন। একদিন তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ড. শহিদ সরওয়ারদী জানিয়েছেন, ছাত্ররা সিমান্ত ভৌমিককে আটক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাকে নিরাপত্তা অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে ২৭ নভেম্বর আরেক মিথ্যা ছাত্রকে আটক করা হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিথ্যা ছাত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা চাইছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে তদন্ত করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।
এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে আত্মনিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা চাইছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে সচেতন হোক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে আস্থা হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে সচেতন এবং আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর আস্থা হ্রাস পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে সচেতন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছেন।
এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক



