চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ব্যক্তি শিক্ষার্থী পরিচয়ে বাসাভাড়া নিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে বাংলা বিভাগ এবং মেরিন সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত হয়েছিলেন। তিনি একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ঋণও নিয়েছিলেন।
এই ব্যক্তির নাম সীমান্ত ভৌমিক, যিনি খুলনা জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ২০২৪ সালের জুনে শিক্ষার্থী পরিচয়ে ক্যাম্পাসে এসেছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু এক বছরে তাঁর কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে হাতে নাতে ধরেন।
সীমান্ত ভৌমিককে আটক করার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেছেন, শিক্ষার্থীরা এখন অনেক সচেতন। তাঁদের উদ্যোগেই দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী সেজে ঘুরে বেড়ানো সীমান্তকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেনেছি, সে বহুজনের সঙ্গে লেনদেনে জড়িত। তাঁকে নিরাপত্তা দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুয়া শিক্ষার্থী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা এবার প্রথম নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সচেতন হতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উচিত সতর্ক থাকা এবং এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন হল, আপনি কীভাবে এই ধরনের ঘটনা রোধ করতে পারেন? আপনি কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সচেতন করতে পারেন?



