রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ নিয়ে হোয়াইট হাউস আশাবাদ প্রকাশ করেছে। সোমবার, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে তারা এই যুদ্ধের অবসানের ব্যাপারে আশাবাদী।
এদিকে, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে মস্কো যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেছেন যে প্রশাসনকে খুব আশাবাদী বলে মনে হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দল এই প্রচেষ্টায় কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং তারা সত্যিই চান এই যুদ্ধের অবসান ঘটুক। তিনি আরও বলেছেন যে ঠিক গতকালই তারা ফ্লোরিডায় ইউক্রেনীয়দের সঙ্গে খুব ভালো আলোচনা করেছেন।
ইউক্রেনীয় আলোচক রুস্তেম উমেরভ বলেছেন যে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে। তবে কিছু বিষয় এখনো অমীমাংসিত।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ট্রাম্পকে বিরক্ত না করার ব্যাপারে সতর্ক চেষ্টায় থাকলেও ইউক্রেনের ভূখণ্ড রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এক সপ্তাহ আগে ইউক্রেনকে না জানিয়েই জেনেভায় একটি মার্কিন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা অনুসারে, কিয়েভকে তাদের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা হয়।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সোমবার জেলেনস্কির সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বলেছেন, ইউক্রেন ও ইউরোপীয় শক্তির অংশগ্রহণ ছাড়া যুদ্ধ শেষের কোনো পরিকল্পনা চূড়ান্ত হতে পারে না।
জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়াকে এমন কিছু দেওয়া যাবে না যা তারা এ যুদ্ধের পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।
ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রী সভায় এই বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানা গেছে। এই আলোচনার ফলাফল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যতের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
এই পরিস্থিতিতে, হোয়াইট হাউসের আশাবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। এটি ইঙ্গিত করে যে মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই প্রচেষ্টার সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য, সকল পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসে একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই সমাধানটি ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এই পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের জন্য সমর্থন প্রদান করতে হবে। এই সমর্থন রাশিয়া ও ইউক্রেনকে আলোচনার টেবিলে বসতে উত্সাহিত করবে।
চূড়ান্ত পর্যন্ত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিশ্চিত করার জন্য সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করতে হবে। এই কাজটি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।



